অজয়বাবুর কেরামতি (রম্যরচনা)

বার বার তিনবার ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে চারবারের চেষ্টায় দেশলাই ঘষে আগুন জ্বালাতে সমর্থ্য হলেন অজয়বাবু৷

সবেমাত্র বিড়িটা ধরিয়েছেন, এমন সময় হঠাৎ গালে পড়ল সপাটে এক থাপ্পড়৷ হুড়মুড়িয়ে পড়তে গিয়ে দেখলেন গিন্নি দাঁড়িয়ে আছেন, রণংদেহী মেজাজ৷

বাস্তবিক! যে মানুষটা জীবনে নেশা কি জিনিস জানলোনা, একটা সুপুরী পর্যন্ত দাঁতে কাটলোনা, সেই মানুষটা হঠাৎ এভাবে বিড়ি ধরাবে! তাও নিজের ঘরে বসে! গিন্নি সেটা সহ্য করবেন কেন? অবশ্য অজয়বাবুরও দোষ নেই৷ চিরদিন মিতব্যয়ী তিনি, ঘর পরিস্কার করতে গিয়ে দেখেন একটি বিড়ি৷ এককোনে পড়ে আছে অবহেলিত হয়ে৷ অজয়বাবু হাতে তুলে নিতেই কেমন যেন জীবন্ত হয়ে উঠলো, আহা রে অনাথ বেচারা, অভয়বাবু আর নিজেকে আটকাতে পারলেন না৷ তাছাড়া এই মাগ্গিগন্ডার বাজারে একটা বিড়ির মূল্য কি কম? তাই অজয়বাবু মখে তুলে নিয়েছিলেন৷ তবে গিন্নির হঠাৎ এরুপ খাপ্পা হয়ে ওঠার পিছনে কোন যুক্তি খুঁজে পেলেন না! আরে বাবা তিনি সামান্য একটা বিড়িই খেয়েছেন, খাওয়ার জিনিসই খাচ্ছেন, বিষ তো খাচ্ছেন না!!

এহেন অজয়বাবু অফিসের মহিলা সহকর্মীর বিয়েতে আমন্ত্রিত হয়ে গেছেন৷ এ ব্যাপারে অজয়বাবুর নামডাক বেশ, অফিসের যেকোন আমন্ত্রনমুলক অনুষ্ঠান তিনি মিস করেন না, বিশেষ করে যেখানে ভূরিভোজের ব্যবস্থা থাকে৷ দুরত্ব বা সময়, এমনকি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও তাকে আটকেছে এরকম কোন পরিসংখ্যান নেই অফিসে৷ নিয়ম মেনে আজও অন্যান্য সহকর্মী সমভিব্যহারে সকাল সকাল পৌঁছে গেছেন বিয়েবাড়ি৷

সামনের ফুচকার স্টল থেকে সবে বেরিয়ে অজয়বাবু চিকেন পকোড়ার স্টলের দিকে পা বাড়িয়েছেন, এমন সময় হঠাৎ 'বর্বর বর্বর' বলে অনেকে চিৎকার করে উঠলো৷ যদিও পরবর্তী ক্ষেত্রে অজয়বাবু বুঝতে পারেন, তিনি ভুল শুনেছেন! বর্বর নয়, 'বর বর' বলে সকলে চিৎকার করছেন৷ যাইহোক, বর হাজির হলেন বরযাত্রী সহ৷

এদিকে কনেপক্ষর তরফ থেকে বরপক্ষের জন্য মনোরঞ্জনের খামতি নেই, বিশেষ করে বর মহাশয় কে ঘিরেই উন্মাদনা পর্ব চরমে৷ কেউ গান করছেন, তো কেউ নাচ৷ কেউ কবিতা আবৃতি করছেন তো কেউ বাতাসে ছবি আঁকছেন! মোটামুটি সবাই কিছু না কিছু হাতের পাঁচ করে দেখাচ্ছেন৷ এমতাবস্থায় অজয়বাবু পড়লেন মহা ফাঁপরে, তিনি কোনকালেই কর্মবিমুখ মানুষ ছিলেন না, বরং অতি উৎসাহে এগিয়ে গেছেন বিভিন্ন কাজকর্মে সে তিনি সেই কাজে পারদর্শী হোন বা না হোন৷ আর সবথেকে বড়কথা, চোখের সামনে কাউকে কিছু করতে দেখলে তিনি আর চুপ করে বসে থাকতে পারেন না৷ স্বাভাবিক ভাবেই সবাই যখন কিছু না কিছু করছেন, তখন অজয়বাবুও কিছু না করে থাকেন কিভাবে! তাই অনেক ভেবে চিন্তে তিনি হঠাৎ যোগব্যায়াম শুরু করলেন৷

গান যে জানেন না তা নয়, তবে বাথরুমের আরশোলা টিকটিকি মাকড়সা ছাড়া সেই গান আর কারও কানে পৌঁছয়নি৷ নাচ তিনি বহুবার করেছেন! প্রাইমারী স্কুলের ছোটমাষ্টার যখন লম্বা ছিপছিপে বাঁশের কঞ্চিটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, তখন নাচ করেনি এমন কাউকে পাওয়া ভার৷ অজয়বাবুও যথারীতি নেচেছেন৷ ফাঁকা অফিসরুমে দুএকবার সিনেমার নায়কের মত করে চেষ্টা করেছেন, তবে মাজা'য় ব্যাথা ছাড়া লাভের খাতায় শুন্য৷ বুড়োশিবের গাজনের মেলায় ম্যাজিক শো দেখে ঘরে একবার চেষ্টাও করেছেন, মাত্র দুটি শার্ট এ আগুন লাগিয়ে সে যাত্রা রক্ষা পেয়েছেন৷ কিন্তু এই মুহুর্তে সেসব কিছু কেমন যেন নিতান্তই তুচ্ছ বলে মনে হল অজয়বাবুর৷ ব্যাতিক্রমী চরিত্রের মানুষ তিনি তাই বেছে নিলেন, যোগাসন৷

প্যান্ডেলের এক কোনের চেয়ার বেঞ্চগুলো সরিয়ে খালি মেঝেতেই শুরু করলেন, পদ্মাসন পর্যন্ত কারও খেয়ালে না পড়লেও শবাসন থেকে কিছু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সমর্থ্য হলেন অজয়বাবু৷ তবে চুড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছালেন শীর্ষাসনে, রীতিমত আলোড়ন ফেলে দিলেন অডিয়েন্সে৷

এরকম অবস্থার জন্য বোধয় কেউই প্রস্তুত ছিল না, এমনকি আমরাও ছিলাম না আর থাকা উচিতও নয়৷ মুহুর্তের মধ্যে হুলুস্থুলু পড়ে গেল, বর হঠাৎ বর'আসন ছেড়ে ছিটকে উঠে দাঁড়ালেন৷ রোগা, মোটা, হালকা, ভারি, বিভিন্ন রকমারি স্বরে মহিলামহলের প্রাণঘাতি চিৎকারে যখন আমাদের সম্বিত ফেরে, ততক্ষনে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছে৷ দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটে যাই, তারপর অজয়বাবুকে চ্যাংদোলা করে কোলে তুলে নিয়ে সে যাত্রা নিরস্ত্র করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়৷

গুণীর কদর বোঝে কজন! অজয়বাবু তারপর থেকেই ভীষনভাবে মুষঢ়ে পড়েছেন৷ আমরা টিফিনে চপ এর পরিবর্তে কাটলেট জোগালেও অজয়বাবুর পুরোনো ফর্ম কিছুতেই ফেরাতে পারছিলামনা৷ এমন সময় পাশের অফিসের কলিগদের সাথে একটা বন্ধুত্বপুর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ এর আয়োজন করা হল, হঠাৎ করেই৷ মুহুর্তের মধ্যে গোটা অফিসজুড়ে যেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি, উন্মাদনা চরম আকার ধারন করল যখন অজয়বাবু স্বয়ং অধিনায়কের দায়ীত্ব মাথা পেতে নিলেন৷ অজয়বাবুকে পুরানো ফর্মে ফিরতে দেখে সকলেই আস্বস্ত হলাম৷ অতঃপর তাকে সামনে রেখে, তার নেতৃত্বেই আমরা চরম ক্রিকেটিয় তান্ডব শুরু করলাম৷ ম্যাচ এর আগের দিন পর্যন্ত অফিসের যে কি হাল হয়েছিল তা একমাত্র ফাঁকা চেয়ার টেবিল গুলোই জানে৷

যথারীতি নির্দিষ্ট দিন এসে হাজির, তুমুল উৎসাহে অজয়বাবু নিজের খরচায় টিফিনের দায়ীত্ব নিলেন৷ যদিও অজয়বাবুকে অধিনায়কের দায়ীত্ব দেওয়াটা এর পিছনে আসল কারন বলে অনেকেই মনে করছেন৷ অবশ্য তাতে তার বা আমাদের, কারুর উৎসাহে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি৷

সকাল সকাল ডিম, কলা, রুটি, টোস্ট সহযোগে উদরপুর্তির পর সেই যে ওয়ার্মআপ শুরু হল, থামলো একদম দ্বিপ্রহরে বিরিয়ানীর টেবিলে৷ খেলা শুরু হল দু'টোর সময়৷

যেহেতু নিজে ক্যাপ্টেন, তাই অজয়বাবু সর্বাগ্রে ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে নেমে পড়লেন৷ জোরালো টিফিন এবং লাঞ্চ এর ধাক্কায় প্রতিবাদ করার শক্তি সকলেই হারিয়েছি, এছাড়া আরও একটা আশঙ্কা আছে! পরবর্তী দিনে ঠিক একই রকম ভাবে অজয়বাবুকে সামনে রেখে যে আরও একটি ফুটবল খেলার সাথে সাথে টিফিন লাঞ্চ আর ডিনারের পরিকল্পনা ছকে রেখেছি, সেটিতে কেউ জল ঢালতে চাইছিনা৷ ওদিকে খেলা শুরু হতে অজয় বাবু ব্যাট হাতে পজিশন নিয়ে দাঁড়ালেন! অপর দিকে ননস্ট্রাইকিং প্রান্তে হিতেনবাবু৷

ব্যাপারটা পরিকল্পিত কিনা আমরা কেউ জানিনা! কারন পেট্রল এবং আগুন কিভাবে একসাথে, একত্রে থাকতে পারে এটা কেউই ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারলাম না!

হ্যাঁ, অজয়বাবুর সাথে হিতেনবাবুর সম্পর্ক ঠিক এইরকমই, অবশ্য বরাবরই যে এরকম সম্পর্ক ছিল তা নয়৷ আসলে গতবছর এরকমই একদিন ফুটবল খেলার সময়কার ঘটনা, যদিও অজয়বাবুর আড়ালে আমরা এটিকে দূর্ঘটনাই বলি৷ সেবারও পাশের অফিসের সাথে ফুটবল ম্যাচ৷ অজয়বাবুর নেতৃত্বে আমরা তখন টগবগ করে ফুটছি, খেলার মাসখানেক আগে থেকেই কাজকর্ম প্রায় বন্ধ৷ এমনও হয়েছে যে অফিসের কাজে আমাদের কাছে এসেছে, এমন মানুষকেও ধরে বেঁধে প্র্যাকটিসে নামিয়ে দিয়েছি! ঘরে বাইরে রীতিমত খেলাধুলার চর্চা চলছে, এরকমই অবস্থায় হিতেনবাবু হঠাৎ দুদিন অফিস বন্ধ করে ফেললেন৷ টিমের একমাত্র গোলকিপার ছাড়া আমাদের তখন গলদঘর্ম অবস্থা, ফাঁকা মাঠে খেলা হলেও ফাঁকা গোলপোষ্টে খেলা হবে কি করে! এদিকে খেলা শুরু হতে বাকি মাত্র চারদিন, হিতেনবাবু এখনও অজ্ঞাতবাসে৷ উপায় কিছু না খুঁজে পেয়ে সদলবলে হাজির হলাম তাঁর বাড়ি৷ ভদ্রলোক বিছানায় শয্যাসায়ী, ঘটনাক্রম সত্যিই ভয়ানক! হিতেনবাবু শুধু যে জাগ্রত অবস্থায় প্র্যাকটিস করেছেন তা নয়, ঘুমের ঘোরেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে গোল বাঁচিয়েছেন৷ এরকমই একটা সময় বল মাঠে রেখে সজোরে লাথিও কষিয়েছেন, যদিও সবটাই ঘুমের মধ্যে৷ কিন্তু মোক্ষম লাথিটি গিয়ে পড়েছিল একমাত্র গৃৃহিনীর গায়ে! প্রত্যেক ক্রিয়ার একটা বিপরীতমুখি প্রতিক্রিয়া থাকে৷ ফলাফল, গৃহিনীর ফিরতি পদাঘাতে হিতেনবাবু তলপেটের যন্ত্রনা নিয়ে বিছানায়৷ যদিও অনেক সাধ্যসাধনায়, অনেক কষ্টে সেবার তিনি গোলকিপারের ভূমিকা পালন করতে অবতীর্ন হয়েছিলেন৷

নির্দিষ্ট দিনে খেলা যত এগিয়েছে, পাল্লা দিয়ে উত্তেজনা বেড়েছে৷ কিন্তু প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধেরও বেশ কিছুক্ষন পর্যন্ত গোলশূন্য অবস্থায় খেলা চলার ফলে, দর্শকমহলের উৎসাহ ক্রমশ নিম্নমুখী দেখে অজয়বাবু ক্রমশ অসহিষ্ণু হয়ে উঠলেন! ঠিক এরকম সময় আমাদের গোলপোষ্টের সামনেই বল এসে ধরা দিল অজয়বাবুর পায়ে, হিতেনবাবু তখন সাবধান পজিশনে৷ বিপক্ষ টিমের খেলোয়াড়রা তীব্রগতিতে ধেয়ে আসছেন৷ ঠিক এই পরিস্থিতিতে অজয়বাবু হঠাৎ হিতেনবাবুর দিকে অদ্ভূত হেসে সজোরে লাথি মারলেন ফুটবলে৷

মুহুর্তের মধ্যে গ্যালারী ফেটে পড়ল 'গোওওওল'....! অজয়বাবু ঠিক কোন রাগের প্রতিশোধ নিতে নিজেদের গোলপোষ্টেই বল ঢোকালেন আজও বুঝতে পারিনি কেউই৷

সেই থেকে হিতেনবাবুর সাথে অজয়বাবুর সাপে নেউলে সম্পর্ক৷ গোলের দুঃখ কোনমতে ভুলতে পারলেও, গোলের আগে অজয়বাবুর সেই বিটকেল হাসিটা কিছুতেই ভুলতে পারেননি হিতেনবাবু৷

সেই হিতেনবাবু এবং অজিতবাবু একসাথে ক্রিজে নেমেছে দেখে আমাদের হৃদস্পন্দন ক্রমশ উর্দ্ধগামী! খেলা চলছে নিজের নিয়মে, বোলার বল করছেন, ব্যাটসম্যান ব্যাট৷ প্রথম ওভার রানশূন্য হলেও দ্বিতীয় ওভারে স্ট্রাইক নিলেন হিতেনবাবু৷

প্রথম বল মিস করার পর দ্বিতীয়বল ব্যাটে ঠোক্কর খেল৷ বাউন্ডারীর দিকে বল এগিয়ে যেতে দেখেই হিতেনবাবু চেঁচিয়ে উঠলেন 'রান', এবং সেকেন্ডের ভগ্নাংশে ব্যাট হাতে করে ছুটে গেলেন ননস্ট্রাইক প্রান্তের অজয়বাবুর দিকে৷ ওদিকে অজয়বাবু রান নেবার তাগিদে সাধ্যমত ছুটতে আরম্ভ করলেন, কিন্তু হঠাৎ বিপরীত প্রান্ত থেকে হিতেনবাবুর ব্যাটহাতে আক্রমনাত্মক ভঙ্গীতে ছুটে আসা দেখে থমকে গেলেন! ক্ষনিকের মধ্যে মনে পড়ে গেল বিগতদিনের ঘটনা, সেদিনও এরকমভাবেই মারমুখি মেজাজে ছুটে এসেছিলেন হিতেনবাবু! গোটা মাঠ জুড়ে যখন দর্শক 'গোল গোল' করে চিৎকার করছিল, গোল গড়ার কারিগর অজয়বাবু সবে নাচ আরম্ভ করব বলে ভাবছিলেন, এমন সময় পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখেছিলেন হিতেনবাবু আগুনের গোলা হয়ে ক্রমশ ধেয়ে আসছেন তার দিকে৷

আজও ঠিক সেভাবেই হিতেনবাবুকে তার দিকে ধেয়ে আসতে দেখে হঠাৎ অজয়বাবু ভগ্নাংশের জন্য পিচের মাঝখানে থমকে দাঁড়ালেন, ওদিকে হিতেনবাবু ক্রমশ গতিবেগ বাড়িয়ে ধেয়ে আসছেন৷ এমতাবস্থায় কালবিক্ষেপ না করে অজয়বাবু হঠাৎ পিচ ছেড়ে পিছন ফিরে ছুটতে শুরু করলেন বাউন্ডারির দিকে! আত্মরক্ষা বড় বালাই৷

গোটা মাঠজুড়ে তখন ক্রিকেট ইতিহাসের সবথেকে বড় বিস্ময়, স্ট্রাইকার এবং ননস্ট্রাইকার একই দিকে ছুটতে শুরু করছেন! সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে মাঠে নেমে পড়েছেন অত্যুৎসাহী জনতাও৷

এদিকে ততক্ষনে বিকেলের টিফিনে কচুরী আর খেজুরগুড়ের রসগোল্লা হাজির, অজয়বাবু হাঁপিয়ে উঠে ক্রমশ সেইস্থানে এসে হাজির হলেন! ওদিকে কোনও কিছু বুঝে উঠতে না পেরে হিতেনবাবু পিচের মাঝখানে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে!

মাঝমাঠের আম্পায়ারগন এখনও সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছেন না, আসলে রান ঠিক কত! গোটা এক, না ঠিক অর্ধেক?


—সমাপ্ত—


©দীপেন ভূঞ্যা৷


সহশিক্ষক, রামজীবনপুর বাবুলাল বিদ্যাভবন৷

চন্দ্রকোনা টাউন, পশ্চিম মেদিনীপুর৷

18 views

Subscribe to Our Newsletter

  • White Facebook Icon

© 2023 Powered by Maiti Infomedia Pvt Ltd.